
নাগাড়ে বৃষ্টিতে বাঁকুড়ায় মাটির বাড়ি ধসে মৃত্যু , বীরভ্রূমে কঙ্কালিতলা মন্দির ভাসল জলে। নিম্নচাপ আর মৌসুমি অক্ষরেখার দাপটে টানা বৃষ্টিতে যখন জেলায় জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তারই মধ্যে চিন্তা বাড়াচ্ছে মঙ্গলবার ষাঁড়াষাঁড়ি কোটাল।
পুজোর মুখে জেলায় জেলায় বিপর্যস্ত পরিস্থিতি। টানা বৃষ্টিতে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁকুড়া, বীরভূম। ভারী বৃষ্টিতে বাঁকুড়ায় বাড়ি ধসে বছর ৬৫-র বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে । আহত হয়েছেন পরিবারের আরও ৬ জন। এদেরকে গোগড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৩ জনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গত কয়েকদিনে দেওয়াল ধসে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এই জেলায়। বীরভূমের নানুরেও মাটির বাড়ি ধসে ২ ছেলেমেয়ে সহ আহত হয়েছেন এক দম্পতি। টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বীরভূমের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে কোপাই নদী। জল ঢুকেছে শক্তিপীঠ কঙ্কালীতলা মন্দিরে। উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়েও বাড়ি ধসে একজন আহত হয়েছেন। দুর্যোগের ঘনঘটা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এরইমধ্যে সমুদ্রে ইলিশ ধরতে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ৩ টি ট্রলারের। খোঁজ নেই ৪৯ জন মৎস্যজীবীর । ইতিমধ্যেই হেলিকপ্টার নিয়ে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিঘা পর বিঘা জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার ষাঁড়াষাঁড়ি কটালের জেরে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা রয়েছে। উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে প্রশাসনের তরফে মাইকিং করা হচ্ছে।








