
প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজোশ করে বাবার সামনেই মা-কে খুন মেয়ের।হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডের জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার ঠাকুরপুকুরে।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের বয়স মোটে ১৪ বছর। ঠাকুরপুকুরের পল্লিমঙ্গল এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত নাবালিকা। ফেসবুকে ১৫ বছরের এক কিশোরের সঙ্গে তার আলাপ হয়েছিল। বছর তিনেক ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু নাবালিকা মেয়ের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিলেন না বাবা-মা। মা বেশি আপত্তি করায় তাঁকে খুনের পরিকল্পনা করে প্রেমিক যুগল। পুলিশ সূত্রের খবর, গত ৬ জুন রাতে প্রেমিককে বাড়িতে ডাকে ওই নাবালিকা। এরপর তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় মা-কে গলা টিপে খুন করে সে। ঘটনার কথা কাউকে বললে বাবাকেও,প্রেমিকের সঙ্গে খুনের হুমকিও দেয় মেয়ে। স্থানীয় এক চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বাভাবিক মৃত্যুর সার্টিফিকেটও জোগাড় করে ফেলে অভিযুক্তরা। সেই সার্টিফিকেটে দেখিয়ে দেহ সত্কারও করে দেওয়া হয়। প্রতিবেশী থেকে পরিজন সকলেই ভেবেছিলেন, ওই মহিলার স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। শেষমেশ প্রায় ২ মাস পর রবিবার এক প্রতিবেশীকে গোটা ঘটনাটি জানান মৃতার স্বামী। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। ইতিমধ্যে নাবালক প্রেমিক যুগল এবং যে চিকিত্সক তাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন, তাঁকেও আটক করা হয়েছে। জেরায় নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করে অভিযুক্তেরা।
