
আর জি ক-কাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানে ছাত্র সমাজের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি-র ডাকা বনধে সকাল থেকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন অংশে মিশ্র প্রভাব পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বহু জায়গাতেই সকাল থেকে দোকানপাট, বসেনি বাজারহাটও।
বুধবার সকাল থেকেই পথে রয়েছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। ধর্মঘটের সমর্থনে জেলায় জেলায় বিভিন্ন জায়গায় পিকেটিং করা হয়েছে। তবে সকাল থেকে কলকাতার বিভিন্ন অংশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তুলনামুলক যদিও রাস্তায় সকাল থেকে বাস কিছুটা কম রয়েছে। মানুষজনও খানিক কম দেখা মিলেছে অনান্যদিনের দিনের তুলনায়। এদিকে বিজেপি-র বনধে আসানসোল সিটি বাস স্ট্যান্ড থেকে স্বাভাবিকভাবে বাস চলাচল করছে বলে জানা গেছে বাস সংগঠন গুলির পক্ষ থেকে। নিত্য কাজে বের হতে দেখা গেছে সাধারণ নিত্যযাত্রীদের। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ-মালদা ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি ও সরকারি বাস সহ পথে নামা বিভিন্ন যানবাহন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা পাথরপ্রতিমা বারুইপুর,সোনারপুর, গঙ্গাসাগর-সহ হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় কিন্তু ফেরি সার্ভিস থেকে ট্রেন চলাচল সবটাই কিন্তু স্বাভাবিক পর্যায়ে। তবে হুগলি স্টেশনে হাওড়া-বান্ডেল লোকাল আটকে দেন বিজেপি-র কর্মী সমর্থকরা। উত্তেজনার খবর আসছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা, মালদা সহ একাধিক জায়গা থেকেও। ধর্মঘটের সমর্থনে সকালে পথে নামলে বিজেপির কর্মীদের আটক করে পুলিশ। আর তা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ধর্মঘটের সমর্থনে উত্তরবঙ্গের বিজেপি-র তরফে একটি মিছিল বের হয়। যদিও তা পুলিশের তরফে আটকে দেওয়া হয়। যা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
