
কচকচানি ছেড়ে ভাইফোঁটায় সামিল শাসক থেকে বিরোধী সব পক্ষ। চেতলা অগ্রণীতে পাড়ার বোনেদের থেকে ফোঁটা নিয়েছেন মন্ত্রী-মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
উপহার যেমন নিয়েছেন তেমনই দিয়েছেনও। আদতে পূর্ববঙ্গের বলে তাঁর বাড়ি ফোঁটা হয় প্রতিপদে। ফিরঞ্জন হাকিনের স্মৃতিতে ভাইফেলটা মানে পায়েস খাওয়া। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেও যাওয়ার কথা তাঁর। অন্যদিকে নবনীচ বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে আবাসিকদের থেকে ফোঁটা নিয়েছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ, অভিনেত্রী কৌশান মুখার্জি, রনিতা দাস। অন্যদিকে আসানসোলের হীরাপুরের বড়গোল প্রানে আনাবাসীদের ফোটা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। এলাকায় যুবককে ভাইফোঁটা দিয়ে মিষ্টিমুখও করিয়েছেন তিনি। আদিবাসী মহিলাদের নাচের তালে পাও মিলিয়েছেন তিনি। এদিকে প্রতিবারের মত রেণুকা মাদ্রি-র থেকে ফোঁটা নিয়েছেন অধীর চৌধুরি। এই যেণুকা মাডিড ২০১৯-এ ছেলের মৃতদেহ রেখে অধীর চৌধুরিকে ভোট দিতে গিয়েছিলেন।
যাতে অধীর চৌধুরির পক্ষে একটি ভোটও কম না পড়ে। সেই শুরু, তারপর থেকে প্রতিবছরই বোন রেণুকার থেকে ফোঁটা নেন অধীর চৌধুরি।
