
বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় দানা। তার আগেই সম্ভাব্য দুর্যোগের আশঙ্কায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপকূলে।
মৌসম ভবনের অধিকর্তা মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, এই ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে উত্তর ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে।
২৪ অক্টোবর রাত থেকে ২৫ অক্টোবর সকালের মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গের পুরী এবং সাগরদ্বীপের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার হতে পারে। সর্বাধিক গতিবেগ হতে পারে ১২০ কিলোমিটার। এদিকে, দানা আছড়ে পড়ার আগে থেকেই পুরী, গঞ্জাম, খুড়দায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পর্যটকদের সতর্ক করে পুরী ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে ওড়িশা সরকার। রাজ্য প্রশাসন এই ঘোষণা করতেই দানা’র আতঙ্কে নীলাচল ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে পর্যটকদের মধ্যে।দুর্যোগ মোকাবিলা করতে ওড়িশার সমস্ত সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করেছে বিজেপি সরকার। অন্যদিকে, স্কুলগুলোকে টানা তিনদিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দানা মোকাবিলার পরিকল্পনায় উপকূলবর্তী জেলারগুলোর প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। এরপরেই রাজ্যে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১১টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। তৈরি আছে সেনা, নৌসেনা এবং উপকূলরক্ষা বাহিনীও। যে সমস্ত এলাকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখান থেকে সমস্ত মানুষকে সরিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ছবি সৌজন্যে : এক্স








