
ঐতিহ্য বজায় রেখে কুলিদের কাঁধে চেপে ঘাট পর্যন্ত গিয়ে, তারপর সেখান থেকে নৌকা করে মাঝগঙ্গায় নিয়ে গিয়ে শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রতিমা নিরঞ্জন হয়েছে। প্রথামাফিক প্রতিমা নিরঞ্জনের আগে ওড়ানো হয়েছে মাটির তৈরি নীলকণ্ঠ পাখিও।
দশমীর দুপুরে মহিলাদের সিঁদুর খেলার পরে নিরঞ্জনের জন্য গঙ্গার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় বিখ্যাত দেব পরিবারের দুর্গাপ্রতিমা। আর তারপরে আড়াইশো বছরেরও বেশি ঐতিহ্য মেনে দুটি নৌকায় করে মাঝগঙ্গায় নিয়ে গিয়ে দেবী প্রতিমার নিরঞ্জন হয়। এদিকে বিজয়ার কোলাকুলি নয়, একে অপরকে কাদা ছুড়েই বিজয়া দশমী উদযাপন করেছে বাঁকুড়ার উত্তরবাড় গ্রাম। প্রচীনকাল থেকেই এই রীতি চলে আসছে। এই গ্রামের এক প্রান্তে রয়েছে ঝগড়াইভঞ্জনী দেবীর মন্দির। দেবী দুর্গা এখানে এই রূপেই পূজিতা হন। প্রতি বছর পুজো উপলক্ষ্যে কযেদিনের জন্য যেন আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে যায়। আশপাশের বহু গ্রামের মানুষও এই মন্দিরে কাদার খেলায় মেতে ওঠেন।
মন্দিরের সামনে ফাঁকা জায়গায় মাটির বাঁধ দিয়ে এলাকার পুকুরের জল একত্রিত করা হয়। তারপর কাদাজলে নেমে কাদা ছিঁটিয়ে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানানো হয়।
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব








