
ট্যাংরাকাণ্ডের পুনর্নির্মাণ হবে বলে জানিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। যেহেতু পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাই সেই প্রক্রিয়া কিছুটা দেরি হচ্ছে।
প্রণয় দে, প্রসূন দে সুস্থ হলে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করবেন তদন্তকারী অফিসাররা। সিপি আরও জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যদের মোবাইল পাওয়া গিয়েছে। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য পুলিশ অপেক্ষা করছে। তবে ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। পাওয়া গিয়েছে একটি কাগজ কাটার একটি ছুরিও। হাসপাতালে আহতদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। তা যাচাই করা হচ্ছে। মা-কাকিমার সঙ্গেই ট্যাংরায় দে পরিবারের সদস্য বছর ১৪-র প্রিয়ংবদা দে-র দেহ উদ্ধার হয় বুধবার। ট্যাংরার চিত্তনিবাশ নামে ওই বাড়িতে কিশোরীর যখন দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ তখন কিশোরীর মুখ থেকে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছিল। পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা জানিয়েছেন কিশোরীর ঠোঁট এবং নাকের নীচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ঠিক কি ভাবে আঘাত লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। বাড়ি থেকে দুই মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। তাঁরা প্রণয়, প্রসূন দে-র স্ত্রী সুদেষ্ণা দে, এবং রোমি দে। দুজনের গলাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দুই মহিলা এবং মেয়ে প্রিংয়বদার দেহ আলাদা আলাদা ঘরে পড়েছিল। দে বাড়ির দুই ভাই প্রণয় দে এবং প্রসূন দে এবং ছেলে প্রতীপ দে দুর্ঘটনায় জখম হয়েছিলেন। তাদেরই একজন বয়ানে জানিয়েছিলেন ট্যাংরার বাড়িতে পায়েসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে, হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার কথা। এরপরেই ট্যাংরার বাড়িতে যায় পুলিশ।
ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন সিপি মনোজ ভর্মা, জয়েন্ট সিপি ক্রাইম রূপেশ কুমার। স্পিফার ডগ নিয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছে।






