
এবার যাত্রা শিল্পী এবং দর্শকদের জন্য স্পেশাল গাইড বুক প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। ওই বইতে রাজ্যের সব যাত্রা অনুষ্ঠান সূচি, শিল্পীদের পরিচয়, বুকিংয়ে স্থান সহ অন্যান্য তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে, রথের দিনেই, বাগবাজারের ফণিভূষণ বিদ্যাবিনোদ যাত্রা মঞ্চে, শুরু হয়েছে যাত্রা উৎসব। শুরু হয়েছে বুকিং। উৎসবের প্রচারে এবং যাত্রা শিল্পের ইতিহাস নিয়ে বহু স্টল তৈরি করা হয়েছে গোটা এলাকায়। বসেছে মেলা। প্রকাশ করা হযেছে উৎসব সংক্রান্ত পোস্টার। বেশ কয়েকজন নামজাদা যাত্রা শিল্পীকে সংবর্ধিতও করা হয়েছে রাজ্য সরকারের এদিনের অনুষ্ঠানে। এক সময়, রথের দিনই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হত যাত্রা উৎসব। খবরের কাগজে জুড়ে থাকত তার বিজ্ঞাপন। কিন্তু এখন যা প্রায় অতীত। সেই ঐতিহাসিক শিল্পকেই পুনরুজ্জীবিত করাই রাজ্যের উদ্দেশ্য বলে জানালেন রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন অন্যান্য বিশিস্ট জন।








