
বিয়ের পর প্রথম পুজোয় ধর্মতলার মোড়ের অনশন মঞ্চে আন্দোলনেই দিন কাটাচ্ছেন সস্ত্রীক চিকিৎসক স্নিগ্ধা হাজরা ও দেবাশিস হালদার। এক জন আমরণ অনশনে বসেছেন।
অন্যজন আর জি কর আন্দোলনের মুখ। নড়বড়ে অনশন মঞ্চ তাঁদের পুজো মণ্ডপ। দু’জনেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসক। মাস ছয়েক আগে বিয়ে হয়েছে। বিবাহের পরে যুগলজীবনে এটাই প্রথম পুজো দেবাশিস-স্নিগ্ধার। আর জি করের নির্যাতিতার জন্য বিচার চেয়ে আমরণ অনশনে বসেছেন স্নিগ্ধা। দেবাশিস স্ত্রীর সঙ্গে অনশন মঞ্চে রয়েছেন। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কখনও বই পড়ছেন দু’জনে, কখনও গলা মেলাচ্ছেন স্লোগানে। দু’জনের গলাতেই ঝরে পড়ছে ক্রোধ এবং ক্ষোভ। ঝরছে দাবি আদায়ের অঙ্গীকারও। পর ক্ষণেই হাসিমুখে একে অপরের দিকে চেয়ে থাকা। চাহনিতে পরস্পরের প্রতি আস্থা আর ভরসা। যা সম্বল করে অন্যদের সঙ্গে দাবি আদায়ের দীর্ঘ লড়াইয়ে নেমেছেন তাঁরা। পেশায় চিকিৎসক হওয়ায় এমনিতেই পুজো-উৎসব বলে কিছু থাকে না দেবাশিস-স্নিগ্ধার। পুজোর সময়েও ডিউটি করতে হয়। মাঝে এক দিন ছুটি পেলে দেবাশিস ফিরে যেতেন নিজের বলাগড়ের বাড়িতে। আর স্নিগ্ধা বাঁকুড়া চলে যেতেন বাবা-মায়ের দেখা করতে। কিন্তু গত দু’মাসে ওলটপালট হয়ে গিয়েছে তাঁদের জীবন।
