
কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে অন্য কোনও রাজ্য থেকে জিতিয়ে রাজ্যসভায় নিয়ে যাওয়া হতে পারে ,সেই ইঙ্গিত নাকি মিলেছে এআইসিসির তরফে।
লোকসভার ফলপ্রকাশের পর ৮ জুন দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ডাকা হয় অধীর চৌধুরীকে। খবর, দিল্লির ওই বৈঠকে গিয়ে বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী প্রদেশ সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন।কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁকে আশ্বস্ত করে জানিয়ে দেয়, এখনই ইস্তফার ব্যাপারে ভাবার দরকার নেই। লোকসভা ভোটের রাজ্যওয়াড়ি ফল বিশ্লেষণ করে হারের কারণগুলি চিহ্নিত করতে আলাদা কমিটি গড়বেন সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। যেসব রাজ্যে খারাপ ফল হয়েছে, সেই রাজ্যগুলিতে ভোটের ফল পর্যালোচনার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।এদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রের খবর,পশ্চিমবঙ্গে ভোট বিপর্যয়ের পর্যালোচনা করতে আগামী ২১ জুন মৌলালি যুব কেন্দ্র বৈঠক ডাকা হয়েছে।ওই বৈঠকে প্রদেশ নেতৃত্বের পাশাপাশি থাকবেন দলের প্রার্থীরা। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক গুলাম আহমেদ মীর সেই পর্যালোচনা বৈঠক নিয়ে রিপোর্ট দেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। তার আগে প্রদেশ নেতৃত্বে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই। এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে, অধীরকে দিল্লির রাজনীতিতে চাইছে এআইসিসির একাংশ। কংগ্রেস কর্মসমিতির বৈঠকের পরই নাকি অধীর চৌধুরীকে দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়,যেন তিনি দিল্লির বাংলো না ছাড়েন। সাংসদ হিসাবে এতদিন দিল্লিতে সরকারি বাংলো পেতেন অধীর চৌধুরী। বহরমপুরে হারের পর অধীরবাবুর আর সেই বাংলো পাওয়ার কথা নয়। নিয়ম অনুযায়ী, দ্রুতই ওই দিল্লির বাংলো খালি করতে হবে অধীর চৌধুরীকে। কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নাকি তাঁকে বাংলো না ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।








