
পশ্চিমবঙ্গে পরিকল্পিতভাবে একদিকে আরএসএস অন্যদিকে আইপ্যাক দুই সংগঠনই সাম্প্রদায়িক বিভাজনের খেলায় নেমেছে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী।
একইসঙ্গে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে পুলিশকে সচেতন থাকার বার্তা দিয়ে অধীরের মন্তব্য, এই সংগঠন পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি, সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা করছে। এক পক্ষের দরকার সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক আর অপরপক্ষের লক্ষ্য সংখ্যাগুরু ভোট ঐক্যবদ্ধ হোক। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্যে অশান্তির সলতে পাকাচ্ছে আইপ্যাক ও আরএসএস। তবে, একটা রাজ্যে অশান্তি, সাম্প্রদায়িক ঝামেলা সরকারের মদত ছাড়া সম্ভব নয় বলে অধীরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক অশান্তির জন্মদাত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গে আরএসএস-র আগমন ও শ্রীবৃদ্ধি। এদিকে, সিপিএমে-র রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে রাজ্য সরকারের পূর্ণ সম্মতিতে যেভাবে সাম্প্রদায়িক অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং সংঘটিত হয়েছে। বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ আশঙ্কার মধ্যে উৎসবে সংঘটিত হয়েছে। এরকম পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গে ছিল না।। রাম নবমী আসছে বাসন্তী পূজা হচ্ছে বিজেপির তৃণমূল এক কাট্টা হয়ে অশান্তি তৈরি করবে। মুখ্যমন্ত্রীর-প্রধানমন্ত্রীর গণনা তফাৎ থাকে না।
রেষারেষি দেখে যায় আসলে একে অপরের পরিপূরক ভূমিকা পালন করেন হিংসা ঘৃণা ছড়ানোর কাজে।
