
রানাঘাটে জোড়া খুনের ঘটনায় বাড়ির কেয়ারটেকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দীপক কর্মকার নামে ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
এদিকে শুক্রবার বিকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেনসিক আধিকারিকরা। পুলিশ জানিয়েছে, দুটি দেহতেই মাথায় ও শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ভারী অস্ত্র দিয়ে আঘাতের কথা উল্লেখ রয়েছে। যে ঘর থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেই ঘরে এখনও রক্তের দাগ পড়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার রানাঘাটের আনুলিয়ার একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি থেকে ব্যবসায়ী সুমন চক্রবর্তী এবং তাঁর গাড়ির চালক রূপক দাসের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবার সূত্রে খবর বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতে কারও ফোন পেয়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন সুমন। এরপর থেকে সুমনের ফোন সুইচড অফ হয়ে যায়। এরপর সন্ধেয় মৃত্যুর খবর মেলে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ব্যবসা সংক্রান্ত গন্ডগোলের জেরে খুন হয়ে থাকতে পারেন সুমন।







