
৭ এপ্রিল প্রয়াত ষোড়শ অধ্যক্ষের ভান্ডারা অনুষ্ঠানের পর পরবর্তী মাস খানেকের মধ্যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরবর্তী অধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হয়। ততদিন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যক্ষের কাজ সামলেছেন গৌতমানন্দজি। বুধবার বেলুড় মঠের তরফে প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বামী গৌতমানন্দর নাম ঘোষণা করা হয়। বেলুড় মঠের তরফে জানানো হয়েছে মঠের অছি পরিষদের সবথেকে প্রবীণ সহ অধ্যক্ষ ছিলেন স্বামী গৌতমানন্দজি মহারাজ। তাঁকেই অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। স্বামী গৌতমানন্দ রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে ১৯৫১-য় যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৬৬ তে মঠের দশম অধ্যক্ষ স্বামী বীরেশরানন্দজির কাছে সন্ন্যাস দীক্ষা নেন। তিনি দীর্ঘদিন অরুণাচলপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে গ্রামীণ আদিবাসী জনসাধারণের মধ্যে শিক্ষাপ্রসারের কাজ করেছেন। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন এবং দিল্লির ন্যাশনাল কাউন্সিলর ফর এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের মত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায এক্সিকিউটিভ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯০-তে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ট্রাস্টি হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৫ সালে চেন্নাই মঠের প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছিলেন। দেশ-বিদেশে বহু জায়গায় তাঁর বক্তৃতা ভারতের আধ্যাত্মিকতা ও বেদান্ত দর্শনের বিষযে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।








