
রাশিয়ায় ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছিল ট্যাংরার চামড়া ব্যবসায়ী দে পরিবারে। একইসঙ্গে জার্মানির অর্থনীতি সঙ্কটে অর্থনৈতিক দৈন্যতা বাড়িয়ে দিয়েছিল প্রণয় এবং প্রসূনদের।
যার জেরে কলকাতা কর্পোরেশন থেকে ২ বছর আগেই ট্রেড লাইসেন্স প্রত্যাহার করে নিয়েছিল দে পরিবার। এমনটাই খবর, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে। বৃহস্পতিবার সকালে যখন দে পরিবারের দুই বধূ রোমি এবং সুদেষ্ণা দে ও নাবালিকার ময়নাতদন্ত হচ্ছে তখন গুরুতর আহত ওই পরিবারেরই নাবালক সদস্যের হাতে কারেকটিভউন্ডসের অপারেশনের আগে পরীক্ষা চালিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। পুলিশ সূত্রে খবর যেভাবে দে পরিবারের ওই কিশোরের হাতে ছুরির দাগ রয়েছে তা রীতিমত সন্দেহজনক। বেশ কয়েকটি ক্ষত নিয়ে যেভাবে তাঁকে গাড়িতে উঠতে দেখা গিয়েছে তাও মিলাতে পারছেন না পুলিশের গোয়েন্দারা। অভিশপ্ত রাতের ফুটেজে দেখা গিয়েছে দে পরিবারের ওই কিশোর সদস্য বাবা ও কাকার সঙ্গে গাড়িতে উঠছে।
তখন তাঁর হাতে আঘাত জনিত কোনও চিহ্ন ফুটেজে দেখা যায়নি। অন্যদিকে অপারেশন হয়ে গেলে সেইসব ক্ষতচিহ্নের অস্তিত্ব থাকবে না বলে গোয়েন্দারা তা খতিয়ে দেখেছেন ইএম বাইপাসের নার্সিংহোমে
