
ঝাড়খণ্ডের রেল দুর্ঘটনার জেরে একাধিক এক্সপ্রেস ও ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তার জেরে অন্য ট্রেনের যাত্রীদের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
যাত্রীরা জানিয়েছেন, সময় মতো ট্রেন ছাড়ছে না। রেলের পক্ষ থেকেও সঠিক সময় জানাতে পারছে না। যাত্রীদের সুবিধার্থে হাওড়া স্টেশনে খোলা হয়েছে হেল্প ডেস্ক। তারপরেও সঠিক লাভ হচ্ছে না। যাত্রীদের অভিযোগ, চেন্নাই মেল সময় মতো স্টেশনে এসে পৌঁছতেই পারেনি। অন্যদিকে, বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন নির্ধারিত সময়ে অনেক দেরিতে ছাড়বে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ডাউন গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস, আমদাবাদ এক্সপ্রেস-সহ একাধিক দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাপথ ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। ট্রেনগুলি হাওড়া স্টেশনে আসার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে থেকে কমপক্ষে ছ-সাত ঘণ্টা দেরিতে ঢুকবে হাওড়ায়। যার ফলে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এদিকে ঝাড়খণ্ডের ট্রেন দুর্ঘটনায় হাওড়া-মুম্বইগামী সিএসএমটি এক্সপ্রেসের ৮০ শতাংশ যাত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ওম প্রকাশ চরণ। তিনি জানিয়েছেন, বাসে করে বেশিরভাগ যাত্রীকে চক্রধরপুর স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি বিশেষ ট্রেনও পাঠানো হয়েছে দুর্ঘটনাস্থলে। ২০ শতাংশ লোককে ওই বিশেষ ট্রেনে করে চক্রধরপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের চক্রধরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে দুর্ঘটনাগ্রস্থ ট্রেনে থাকা যাত্রীদের চক্রধরপুর থেকে মুম্বই পৌঁছবে একটি বিশেষ ট্রেন।




