
পছন্দ করতেন না আতিশয্য, বিশ্বাস করতেন সাধরণ জীবনযাত্রা। সেই ধারা বজায় রেখে পাম অ্যাভিনিউ-র সরকারি ফ্ল্যাটের স্যাঁতসেঁতে বাড়ি থেকে একদম সাধারণের জন্য ব্যবহৃত শকটে চেপে গোবরার পিস ওয়ার্ল্ডের দিকে শেষবারের মত বাড়ি ছেড়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ।
বুকে আজন্ম লালিত লালপতাকা। আতিশয্য, রাশি রাশি ফুল, বেশিরভাগই সাদা, যে সাদা তাঁর পাঞ্জাবির রং, বাঙালি কমিউনিস্টদের শেষ ট্রেড মার্ক। প্রিয় কবির মৃত্যু দিবসের ঠিক পরের দিন ২৩-শে শ্রাবণ চলে গেলেন বুদ্ধদেব। আপাতত বৃহস্পতিবার তাঁর মরদেহ শাসিত থাকবে গোবরার পিস ওয়ার্ল্ডে। উত্তর কলকাতার উদয়ের পথের শববাহী গাড়িতে যখন বুদ্ধদেবকে তোলা হচ্ছে তখন আর নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি দীর্ঘদিনের সঙ্গী মীরা ভট্টাচার্য । তারপর আস্তেআস্তে উঠেছেন পিছনের গাড়িতে। শেষযাত্রাতেও সঙ্গী হওয়ার জন্য। বাইরে তখন স্লোগান উঠেছে কমরেড বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অমর রহে।








