
ক্লাব প্রীতি ম্যাচে জার্মান ক্লাব বায়ার লেভারকুসেনকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে চেলসি। চেলসির হয়ে দুটি গোলই করেছেন দুই ব্রাজিলিয়ান তারকা এস্তেভাও এবং হোয়াও পেদ্রো। ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে পিএসজিকে হারানোর চার সপ্তাহ পর এই প্রথম মাঠে নামলো ব্লুজরা। মাত্র ১৮ বছর বয়স ব্রাজিলের বিস্ময় বালক এস্তেভাওয়ের।
চেলসির জার্সি প্রথম গায়ে জড়ালেন লেভারকুসেনের বিপক্ষে।শুরুতেই জাত ছিনিয়ে দিলেন তিনি। ম্যাচের ১৮ মিনিটেই গোল করে তাক লাগালেন এস্তেভাও।শটটা নিয়েছিলেন মূলত কোল পালমার।তার শটটি লেভারকুসেনের গোল পোস্টের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। সেই বলটিই পেয়ে যান এস্তেভাও এবং বাঁ-পায়ের দারুণ এক শটে জড়িয়ে দেন জার্মান ক্লাবটির জালে।মাত্র ১৮ বছর বয়স হলেও ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাসে থাকতেই বিশ্ব ফুটবলে নিজের আগমন বার্তা ছড়িয়ে দেন এস্তেভাও। তাকে বলা হচ্ছিল, হাইলি রেটেড মিডফিল্ডার। যে কারণে চেলসি তাকে কিনেছে ৩৪ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে।শুধু তাই নয়, পারফরম্যান্স ভালো হলে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে চেলসিকে।সেটা উঠে যেতে পারে ৬৭ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত। মাত্র ১৮ বছর বয়সে এত মূল্য, সত্যিই বিস্ময়কর।আগে এস্তেভাও সর্বশেষ খেলেছিলেন চেলসির বিপক্ষেই।ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটিকে হারিয়েই সেমিফাইনালে উঠেছিল চেলসি এবং শেষ পর্যন্ত এনজো মারেসকার প্লেয়াররাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।চেলসির আরেক ব্রাজিলিয়ান হোয়াও পেদ্রো, যাকে ব্রাইটন দলে নিয়েছিল চেলসি। ক্লাব বিশ্বকাপে ব্লুজদের হয়ে যার অভিষেক,তিনিও একটি গোল করেছেন বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে।
৯০ মিনিটে দুর্দান্ত এক নিচু শটে প্রতিপক্ষের জালে বলটি জড়ান তিনি। এস্তেভাও এবং হোয়াও পেদ্রোর জন্য আবার চেলসির ঘরের মাঠ স্টামফোর্ড ব্রিজে এটা ছিল প্রথম ম্যাচ। একই সঙ্গে ঘরের মাঠে অভিষেক হলো লিয়াম ডেলাপ, জোরেল হ্যাতো এবং জেমি গিটেনসেরও।
