
সন্দেশখালির জমি দখলের বেআইনি টাকা পেয়েছেন রাজ্যের অন্তত ২-৩ জন মন্ত্রী। সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছে ইডি।
অন্যদিকে এই বেআইনি টাকার একটা অংশ দিয়েই অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি হচ্ছিল বলে মনে করছে গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁদের অনুমান, সন্দেশখালিতে উদ্ধার হওয়া বিপুল অস্ত্রের সঙ্গেও এই টাকার সংযোগ আছে। আদালতে ইডি এও দাবি করেছে, টেন্ডার নিয়ে বেনিয়ম করে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ফেরি সহ বিভিন্ন সরকারি টেন্ডার অবৈধভাবে নিজের অনুগামীদের টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। এই অভিযোগ করেই শাহজাহান সহ বাকি ধৃতদের জামিনের বিরোধিতা করেছে ইডি।সোমবার আদালতে শাহজাহান ছাড়াও তোলা হয়েছিল তাঁর ভাই আলমগির, অনুগামী দিদার বক্স মোল্লা এবং শিবপ্রসাদ হাজরাকে। প্রত্যেকের জন্যই ১৪ দিনের জেল হেফাজত চাওয়া হয়। এদিন অবশ্য জামিনের আবেদন করেননি সন্দেশখালির ধৃত ও বহিস্কৃত তৃণমূল নেতা। ইডির তরফে আরও জানানো হয় শাহজাহানের স্ত্রী এবং আত্মীয়েরা জেরার মুখে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে শাহজাহানদের আগামী ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ওই দিন মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।








