
পুরসভার জল সাপ্লাই বন্ধ হতেই জলের জন্য হাহাকার শিলিগুড়িতে। শুরু হয়েছে বোতলবন্দি, প্যাকেজড ডিঙ্কিং ওয়াটার কেনার জন্য লম্বা লাইন।
জলের দোকানে লম্বা লাইন দিয়ে মানুষ কিনছে এক লিটার থেকে ২০ লিটার জলের ড্রাম। হঠাৎ করে এই গরমে জলের চাহিদা মাত্রাতিরিক্ত হওযায় কালোবাজারি শুরু হয়েছে বলে অভিযোগও এসেছে। এরমধ্যে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানিয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতাল, হাউসিং কমপ্লেক্স, অফিস চত্বর, পাড়ার বরো অফিস এবং বস্তি এলাকাগুলোয় দফায় দফায় দিনভর পুরসভার জলের ট্যাঙ্কে করে পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে পুরসভার হচ্ছে। তবে এই সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী নয়, তাও মেনে নিয়েছেন মেয়র গৌতম দেব। এদিকে মহানন্দার জল ২ রা জুন পর্যন্ত পানযোগ্য নয় বলে পুরসভার তরফে ঘোষণার পরেই শিলিগুড়ি লাগোয়া ডাবগ্রাম সহ এক্সটেন্ডেড এলাকায় রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অনেকে টিউবওয়েলের জলে ফটকিরি বা জিওলিন জাতীয় ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে পুরসভার তরফে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নেওয়ার জন্য। এরমধ্যেই বিরোধী বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে পুরসভার গাফিলতির কারণে প্রচন্ড গরমের মধ্যে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে শিলিগুড়ির কয়েক লাখ বাসিন্দাকে।
