
বর্তমানে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। তবে এর মধ্যে বেশির ভাগই টাইপ-টু ডায়াবেটিক।
আর টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হয় শিশুরা। তবে শিশুরা যে শুধুই টাইপ-ওয়ান -এ আক্রান্ত হবে, এমনটা নয়।টাইপ- টু-এও আক্রান্ত হতে পারে। ২ থেকে ১০ বছর বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে টাইপ- ওয়ান ডায়াবেটিক দেখা যায়। আর কিশোর বয়সে হয় টাইপ-২ ডায়াবেটিক।টাইপ- ওয়ান ডায়াবেটিক কিন্তু মিষ্টি বেশি খাওয়ার কারণে হয় না।অটোইমিউন অসুখের কারণে যেমন টাইপ- ওয়ান ডায়াবেটিস হতে পারে, আবার জিনগত কারণেও এই ধরনের ডায়াবেটিস হতে পারে।চিকিৎসকদের মতে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের ডায়াবেটিসের ব্যাপারে সার্বিক সচেতনতার অভাব থাকে এবং অনেক ক্ষেত্রেই রোগ নির্ণয় করতে দেরি হয়ে যায়। এই অবস্থায়,ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বারবার তেষ্টা পাওয়া , খিদে বৃদ্ধির মতো উপসর্গ দেখে বুঝবেন শিশু টাইপ- ওয়ান ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হতে পারে।এ ছাড়া কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া, অস্পষ্ট দৃষ্টি, ক্লান্তি অনুভব করাও টাইপ- ওয়ান ডায়াবেটিকের লক্ষণ। এদিকে,সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টাইপ- ওয়ান ডায়াবেটিক জটিলতা ডেকে আনে।এই অসুখ শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোর ক্ষতি করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে হৃৎপিণ্ড,রক্তনালি, স্নায়ু, চোখ ও কিডনি।আবার ডায়াবেটিস হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির কিছু সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।এর মধ্যে রয়েছে বুকে ব্যথা, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ধমনি সরু হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।রক্তে অত্যধিক শর্করা স্নায়ুর কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
পাশাপাশি ডায়াবেটিস পাচনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে।বমি বমি ভাব, বমি, ডায়ারিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।








