
শেষবারের মতো সনজীদা খাতুনের মরদহে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর হাতে গড়া ছায়ানটে।
সেখানেই তাঁর অংখ্য অনুবাগী, সহকর্মীরা তাকে চোখের জলে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। তাঁর সম্মানে সমবেত কণ্ঠে সকলে মিলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। বিকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তাঁর কফিনবন্দী দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে হিমঘরে। সানজীদার মৃত্যতে ইতিমধ্যেই দেশের সাংস্কৃতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ১৯৭৮ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই পিএইচডি করার পর দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেন। তাঁর লেখার একটি বড় অংশ জুড়ে আছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ব্যাপক পরিসরে জনমানসে কবিগুরুকে পৌঁছে দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। একশে পদক, বাংলা অ্যাকাদেমি সাহিত্য পুরস্কার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত সনজাদা ১৬টি বই লিখেছেন। পয়েলা বৈশাখের বাকি আর মাত্র সপ্তাহ তিনেক।
রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসবে আর কখনও তাঁকে দেখা যাবে না।






