
শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের নামে নামাঙ্কিত বন্দরটি তৈরি করতে খরচ পড়েছিল প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে ১৬ হাজার কোটি টাকাই দিয়েছিল চিনের এক ব্যাঙ্ক। চড়া সুদে ওই অর্থের জোগান দিয়েছিল তারা। কিন্তু সেই ঋণ শোধ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছে ঋণে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে এবার বিমানবন্দরটির দায়িত্ব পেয়েছে ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা। ভারতীয় সংস্থাটির নাম শৌর্য অ্যারোনেটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড। রুশ সংস্থাটির নাম এয়ারপোর্টস অফ রিজিয়নস ম্যানেজমেন্ট। দুই সংস্থার সঙ্গে ৩০ বছরের চুক্তি হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কত টাকার চুক্তি হয়েছে,তা এখনও জানা যায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, এই চুক্তির অর্থের সাহায্য়েই চিনের ঋণ শোধ করার দিকে এগোবে শ্রীলঙ্কা।দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষতির মুখে পড়ে রয়েছে হাম্বানটোটা বিমানবন্দর। প্রথমদিকে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিমান ওঠানামা করত। কিন্তু অচিরেই সেই সংখ্যা কার্যত শূন্য হয়ে পড়ায় বিমানবন্দরটি জনশূন্য হয়ে পড়ে।








