
প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা ৩০ দিনের বেশি জেল হেফাজতে থাকলেই তাঁর মন্ত্রিত্বপদ বাতিল হবে। ফের সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে সরব হতেই পাল্টা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ই স্কোয়ার পলিসি খোঁচা তৃণমূলের।
যেখানে প্রথম ই মানে ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়ার কথা বলা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য কমিশনকে ব্যবহার করছে বিজেপি। যদি তা ব্যর্থ হয় তাহলে রয়েছে দ্বিতীয় ই। অর্থাৎ ইডি। বরাবরাই ইডি, সিবিআই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে বিরোধীদের ওপর অসদ উপায়ে প্রয়োগের অভিযোগ করে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ইডির আসল উদ্দেশ্যে দুর্নীতি মুক্ত করা হয়, বিরোধীদের জেলে ভরা।
ঘটনাচক্রে ২০২৩ সালে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার, পরে জামিন পাওয়া তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি।
