
সন্দেশখালির সন্ত্রাস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনের অনুমতি চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে চিঠি লিখেছেন মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।
চিঠিতে তিনি লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চলছে সন্দেশখালির বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। এই কারণেই সেখানে গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলা এবং যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখে সন্দেশখালি যেতে চান বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। বিচারপতি অমৃতা সিনহা তাঁকে অনুমতি দেন। এদিকে কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত রেখার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী ১৯ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। অন্যদিকে পুলিশি অভিযান ঘিরে ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি। ভোটের দিন সন্দেশখালিতে পুলিশকে মারধরের অভিযোগে অভিযুক্তকে খুঁজতে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা অময় ভুঁইয়ার বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এরপরই বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি বেঁধে যায়। এদিকে, ভোটের দিন সন্দেশখালিতে পুলিশকে মারধরের অভিযোগে ৭ বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মোট ১২ জন বিজেপি কর্মীকে আটক করল পুলিশ। এদিকে পুরুষশূন্য গ্রাম, অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিশ, অভিযোগ সন্দেশখালির একাধিক এলাকার মহিলাদের। এর পর মঙ্গলবার দুপুরে ওই এলাকায় পৌঁছন বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভাপতি ফাল্গুনী পাত্র। তিনি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আস্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন। অন্য়দিকে,ভোটের ফল ঘোষণার আগে অশান্তি এড়াতে সন্দেশখালিতে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালির চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ টি জায়গায় জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।
