
আর জি করকাণ্ডে এবার চিকিৎসক সুশান্ত রায়কে সাসপেন্ড করল আইএমএ বেঙ্গল। আইএমএ-র জলপাইগুড়ি শাখার সম্পাদক ছিলেন সুশান্ত রায়।
আর জি করকাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সুশান্ত রাযের প্রশ্রয়েই সন্দীপ ঘোষের বাড়বাড়ন্তের অভিযোগও রয়েছে। চিকিৎসক সুশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মেরও অভিযোগ উঠেছে। প্লেট সিন্ডিকেটের অভীক দে, বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের মেন্টর বলেও অভিযোগ আইএমএ বেঙ্গলের। শুধু সুশান্ত রায়ই নয়, আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি তাপস চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৯ অগাস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ক্রাইম সিন সেমিনার রুমে অন্যদের সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাপস চক্রবর্তীকে। অভিযোগ এমনটাই। কেন তিনি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সেমিনার রুমে গিয়েছিলেন তার উপযুক্ত ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত মালদা শাখার সভাপতির পদ থেকে তাপস চক্রবর্তীকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বৈঠকে। এদিকে সাসপেনশনের পর এসএসকেএমের পিজিটি অভীক দে-র কাজেও লাগাম টানা হল। কোনও ক্লিনিকাল সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ অভীক দে। রাখা যাবে না আউটডোর, ইন্ডোর, স্পেশাল ক্লিনিক, ওটিতে। এমনকি অ্যাকাডেমিক কোনও কাজেও থাকতে পারবেন না অভীক দে। সার্জারির বিভাগীয় প্রধানকে এসএসকেএমের ডিন অফ স্টুডেন্টসের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভীক দে কে নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে হস্টেল সুপারকেও। এদিকে হামলার অভিযোগে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের ৯ পড়ুয়াকেও ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
