
কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার ম্যানেমেন্টের সিভিক ভলান্টিয়ার ভবানীপুরের বাড়ি ছেড়ে উল্টোডাঙার ব্যারাকে কি করে থাকত তা নিয়ে প্রশ্ন পুলিশের অন্দরে।
২০১৯ সালে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি পাওয়া সঞ্জয় মাত্র এ বছরের মধ্যে শাখা সংগঠনের নেতৃত্বের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এদিকে ধৃত ভবানীপুরের প্রতিবেশীরা বলছেন প্রথম থেকেই অপরাধমনস্ত সঞ্চয়। সঞ্চয়ের বিরুদ্ধে বেশকিছু লোককে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আর তাঁর মা বোনোয়া জানাচ্ছেন স্ত্রীর ক্যানসারে মৃত্যুর পর গত তিন হাত মাস ধরে বাড়ির সঙ্গে কোনও যোগাযোগই ছিল না সঞ্চয়ের। এর মধ্যে উল্টোডাঙার আবাসন থেকে আরজি করে কি করে সঞ্জয় পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিল তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দাবা। কারণ তদন্তে জানা যাচ্ছে ইমার্জেন্সি থেকে চেস্ট সহ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে অনায়াস যাতায়াত ছিল ডাক্তারি ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সঞ্চয়ের।
