
বাহিনীর জন্য স্কুল বন্ধ, এই অভিযোগে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে। আইনজীবীদের তরফে করা এই মামলায় প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে।
বুধবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। নবান্নের তরফেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের কোনও স্কুলে আর কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা যাবে না। ভোট মিটলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা স্কুল দখল করে রাখায় গরমের ছুটির পর সোমবার স্কুল খুললেও সঠিকভাবে পঠনপাঠন শুরু করা যাচ্ছে না। ৯ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত রাজ্যের স্কুলে গরমের ছুটি থাকে। কিন্তু তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ৩ জুন পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ভোট মিটলেও বাহিনী থাকার কারণে সেই ছুটি আরও ৭ দিন বাড়ানো হয়েছে। সোমবার থেকে পুরদমে পঠনপাঠন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে হাঁসফাঁস গরমের মধ্যে সোমবার থেকে স্কুল শুরু হলেও অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চাইছেন না। এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শিক্ষক শিক্ষিকারও। এই অবস্থায় মর্নিং স্কুলের জোরালো দাবি তুলেছেন অভিভাবকদের একাংশ।
