
আর্লিং হলান্ড মাঠে নামা মানেই যেন গোল করা,একের পর এক রেকর্ড গড়া। দু’ বছর আগে সত্যিকারের এক গোলমেশিন রূপেই ম্যানচেস্টার সিটিতে পা দিয়েছিলেন তিনি।
অভিষেক সিজনের অবিশ্বাস্য ছুটে চলায় গোলের পর গোল করে গড়েছিলেন অনেক রেকর্ড।২৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকার এখনও ঝড়ের গতিতেই ছুটছেন।আর্সেনালের কাছে ম্যানচেস্টার সিটির ৫-১ গোলের হারকে বিধ্বস্ত না বলে উপায় নেই। তবে এই বিধ্বস্ত হওয়ার মধ্যেও হলান্ড নিজের কাজটা ঠিকই করে গেছেন। তার কাজই যে গোল করা।ম্যাচের ৫৫ মিনিটে সিটির একমাত্র গোলটি এসেছে তার কাছ থেকে।আর এই গোলেই একটি তালিকায় লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও কিলিয়ান এমবাপ্পেদের পেছনে ফেলেছেন হলান্ড। তালিকাটি হলো ক্লাব ফুটবলে মূল দলের হয়ে দ্রুততম ২৫০ গোলের তালিকা।ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩১৩তম ম্যাচে এসে ২৫০তম গোলের দেখা পেলেন হলান্ড, আর্সেনালের বিপক্ষে গোলটি দিয়ে। এ তালিকায় এত দিন দ্রুততম ছিলেন মেসি।৩২৭ ম্যাচে ২৫০তম গোলের দেখা পান বার্সেলোনা ও পিএসজি মাতানো ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। তৃতীয় এমবাপ্পে একই মাইলফলকের দেখা পেয়েছেন ৩৩২ ম্যাচে।দ্রুততম ২৫০ গোলের তালিকায় শুধু এই তিন খেলোয়াড়ই সাড়ে তিন শ ম্যাচের মধ্যে মাইলফলকটির দেখা পেয়েছেন।এ তালিকায় চতুর্থ যিনি, বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনের লেগেছে ৪৩০ ম্যাচ।পঞ্চম ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর লেগেছে ৪৫১ ম্যাচ। তবে আল নাসর তারকা একাই পঞ্চম স্থানটি দখল করতে পারেননি। আরেক ভাগীদার আছেন সেখানে,বার্সেলোনা স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কি। তিনিও ৪৫১তম ম্যাচে মাইলফলকটির দেখা পেয়েছেন।অন্তত ৫০০ ম্যাচের মধ্যে এই মাইলফলকের দেখা পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন আরও একজন।
একসময় সিটির হয়ে মাঠ মাতানো সের্হিও আগুয়েরো। ৪৮১ ম্যাচ লেগেছে আর্জেন্টিনার সাবেক এই স্ট্রাইকারের। করিম বেনজেমা, মোহাম্মদ সালাহ ও ওয়েইন রুনি পাঁচশোর বেশি ম্যাচ খেলে রেকর্ডটি পেরিয়ে গেছেন।








