
উত্তরপ্রদেশে হাথরাসে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে অসংখ্য প্রাণহানির খবর প্রকাশ্যে আসার পর শিউরে উঠেছে গোটা দেশ।
জানা গিয়েছে, হাথরাসের মুঘলাগড়ি গ্রামে যে সৎসঙ্গে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটি ছিল ভোলে বাবা নামে এক জনপ্রিয় সন্তের। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের নানা জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে ভোলে বাবার এমনই অসংখ্য সৎসঙ্গ। তাঁর ভক্ত সংখ্যাও লক্ষাধিক। সূত্রের খবর, এই ধর্মগুরুর আসল নাম নারায়ণ সাকার। যদিও ভক্তরা তাঁকে চেনেন বিশ্ব হরি ভোলে বাবা নামে। কাসগঞ্জের পাটিয়ালি বাহাদুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। সেখানেই রয়েছে তাঁর মূল আশ্রম। যদিও শুরু থেকেই সন্ত ছিলেন না নারায়ণ সাকার। তিনি উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে কাজ করেছেন বলে দাবি করেন। ১৮ বছর আগে চাকরি জীবন থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে নেন। এবং বাড়ি ছেড়ে নিজের গ্রামে এক ঝুপড়ি তৈরি করে সেখানেই থাকতে শুরু করেন। এরপর গ্রামে গ্রামে গিয়ে ঈশ্বরের নামে প্রচার শুরু করেন তিনি। ধর্ম প্রচারে গিয়ে প্রচার টাকা অনুদান পেতে থাকেন নারায়ণ সাকার। সেই টাকায় জায়গায় জায়গায় সৎসঙ্গের আয়োজন করতে থাকেন তিনি। এভাবেই বাড়তে থাকে তাঁর ভক্তের সংখ্যা। জানা গিয়েছে, শুরু থেকেই ধোপদুরস্ত পোষাকে স্যুট-প্যান্ট পরে চেয়ারে বসেই ভক্তদের প্রবচন দিতেন ভোলে বাবা। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর ভক্তের সংখ্যা।








