
সরকারি জমিতে সস্তা দামে বড় বড় ভবন তৈরি করাছিল কংগ্রেস। কিন্তু এই নতুন কোম্পানি, যেখানে সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর ৭৬% অংশীদারিত্ব ছিল, তারা সমস্ত সম্পত্তির মালিক হয়ে গেল।
ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসকে বিঁধে এমনই মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেছেন, এই সমস্তর মূল্য হাজার হাজার কোটি টাকা। তাই, ৯০ কোটি টাকার ঋণের বিনিময়ে মাত্র ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে তারা অ্যাসোসিয়েট জেনারেলের শেয়ারহোল্ডিং তাদের নতুন কোম্পানিতে স্থানান্তর করে এবং এর মাধ্যমে তারা সারা দেশের সমস্ত ভবনের মালিকানা অর্জন করে। অভিযোগ দায়ের হলে, তারা আদালতে গিয়ে তা বাতিল করে।
দিল্লি হাইকোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করে। কংগ্রেস ভারত জুড়ে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ সংগ্রহ করবে, এবং দাবি করবে যে ফাঁসানো হচ্ছে, তাহলে এটি স্পষ্টতই ডাকাতির মামলা। দেশবাসীর একটি জিনিস জানা দরকার যে দিল্লি পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ১২০বি এবং ৪২০ ধারার অধীনেও অভিযোগ আনা হয়েছে।








