
২০০২-র ভোটার লিস্টে নাম ছিল পানিহাটির প্রদীপ করের। ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দাবি করেছে বিজেপি।
বিজেপির দেওয়া বিধানসভার ৮৩ নম্বর পার্টের তালিকায় ১৬ নম্বরে নাম রয়েছে প্রদীপ করের। ৫৭বছরের প্রদীপ কর এনআরসি নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন, সুইসাইড নোটে সেকথা লিখে আত্মঘাতী হন বলে জানা গিয়েছে। মৃতের পরিবারও এনআরসি আতঙ্কের কথা তুলে ধরে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্ব এরপরেই সরব হন। যদি ভোটার তালিকায় নাম থাকেন তবে এনআরসি আতঙ্কে আত্মঘাতী হবেন কেন, প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যদিও প্রদীপ করের সুইসাইড নোটে লেখা ছিল এনআরসি আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছে।এদিকে প্রদীপ করের সুইসাইড নোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার। ওই সুইসাইড নোট কার লেখা তা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার ।
এদিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সুইসাইড নোট কার লেখা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শমীক ভট্টাচার্য-র কথায় যেখানে মৃতের জামাইবাবু দাবি করেছেন প্রদীপ করের ডান হাতের চারটে আঙুল ছিল না। তিনি ঠিক মত লিখতে পারতেন না। তাছাড়া প্রদীপ কর ক্লাস থ্রি-ফোর পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। ফলে সুইসাইড নোট কার লেখা তা তদন্ত সাপেক্ষ বলে মনে করেন শমীক ভট্টাচার্য। জবাবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন প্রদীপ কর এসআইআর-র আতন্ধে নয় এনআরসির আতঙ্কে ভুগছিলেন। একইসঙ্গে তাঁর দাবি ডান হাতের আঙুল না থাকলে অনেকেই তো বাঁ হাতে লেখেন। তাহলে প্রদীপ কর কি সারাজীবন লেখেন নি, পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
