
আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবি ছিল বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট ও বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের সংযোগস্থল পর্যন্ত তাঁদের এগোতে দেওয়া হোক। তবে ততদূর এগোতে পারছেন না তাঁরা।
মিছিল যেখানে আটকে ছিল, সেখান থেকে ব্যারিকেডের অপর প্রান্তে আরও একশো মিটার এগোতে পারবেন তাঁরা। ব্যারিকেডের অপর প্রান্তে যাওয়ার অনুমতি মিলতেই মনোবল আরও বেড়েছে আন্দোলনকারীদের। ফিয়ার্স লেনের ব্যারিকেড সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। মিছিল আরও একশো মিটার এগোনোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ২২ জনের প্রতিনিধিদল লালবাজারে প্রবেশ করবে। তাঁরা সেখানে পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবেন।সোমবার থেকে দফায় দফায় চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। সোমবার রাতে দু’বার। তার পরে মঙ্গলবার সকালে অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে। এর পর দুপুরে জয়েন্ট সিপি রূপেশ কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে। আন্দোলনকারীদের দাবি, কোনও ব্যারিকেড রাখা যাবে না। তাঁরা মানববন্ধন করে ভিড় সামলাবেন। দুপুর দু’টো নাগাদ ফিয়ার্স লেনের আন্দোলনরত চিকিৎসকদের সঙ্গে ফের এক দফা কথা বলল পুলিশ। এ বার কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি রূপেশ কুমার কথা বলতে আসেন কিঞ্জল নন্দ-সহ চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে। ব্যারিকেড সরিয়ে দিলে কতদূর এগোবেন চিকিৎসকরা, তারপর কী করবেন, সে বিষয়ে জানতে চান জয়েন্ট সিপি।
