
এবার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ এনেছেন আর জি করে নিহত চিকিৎসকের বাবা-মা। তাঁদের দাবি মেয়ের দেহ উদ্ধারের পর হাসপাতাল থেকে ৩ বার ফোন করে ৩ রকম কথা বলা হয়েছে।
ফোনে কথোপকথনের ৩টি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিও ক্লিপে প্রথমবার আর জি কর হাসপাতাল থেকে ফোনে বলা হয় মেয়ের শরীর খারাপ হয়েছে । দ্বিতীয়বার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের নাম নিয়ে ফোনে বলা হয়েছে মেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে, দ্রুত হাসপাতালে যেতে। শেষে তৃতীয়বার ফোনে বলা হয় মেয়ে হয়তো আত্মহত্যা করেছে। আর এতেই শেষ নয়, মৃত চিকিত্সকের বাবা-মায়ের দাবি বারবার বদলেছে চাদরের রং। একজন জানিয়েছিলেন ঘটনার রাতে ৩টের সময় তাদের মেয়ের লাল চাদর গায়ে দিয়ে ঘুমাতে দেখেছেন। পরে যে ছবি বেরিয়েছিল তাতে দেখা যায় সেই চাদর বদলে নীল হয়ে গিয়েছে। এবং ম্যাট্রেসের ওপর দেহও সোজাভাবে ছিল না। ম্যাট্রেসের বাইরে পা বেরিয়েছিল। কিন্তু তারা যখন দেখেছেন তখন মেয়ের গায়ের চাদর সবুজ ছিল। এবং দেহ সোজাভাবে রাখা ছিল। এতেই নির্যাতিতার বাবা মায়ের সন্দেহ তথ্যপ্রমাণ লোপাট হয়ে থাকতে পারে।








