
পাঁচিল ঘেরা নীল-হলুদের পেল্লাই অট্টালিকা, ৫০টি সিসি ক্যামেরার মোড়া। সুইমিং পুলে ঘুরছে কচ্ছপ।
এটা সরকারি বাংলো বা রিসর্ট নয়, সোনারপুরকাণ্ডে অভিযুক্ত জামালউদ্দিন সর্দারের বাড়ি। রয়েছে ঘোড়াও। সেই ঘোড়া দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন একজন। আরও ৭ পরিচারিকা রয়েছেন। গ্রামবাসীদের দাবি এটাই ছিল জামালের আদালত। এখানেই বসত সালিশি সভা। গ্রামের ছোটখাট গন্ডগোল, অশান্তির মীমাংসায় নিদান দিতেন তিনি। তবে জামালের আয়ের উৎস কেউ বলতে পারেননি। এক সময় মহুরির কাজ করতেন জামাল। সেই সূত্রে প্রশাসন থেকে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ভালই খাতির রয়েছে জামালের। প্রোমোটিং, জমি বিক্রি, বিচার পাইয়ে দেওয়ার নামে তোলাবাজি এবং জমি বিক্রি করে পেট চলে তাঁর। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ জামাল পরিচালনা করতেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ টাকা পয়সা প্রভাব প্রতিপত্তি এতটাই যে এলাকাই সবাই জামালকে সমীহ করতেন। তাই অন্যায় দেখেও অনেকে মুখ খোলেনি। শিককাণ্ড সামনে আসার পর অনেকেই সাহস করে মুখ খুলতে শুরু করেছে।
