
৬২৮ বছরের পুরনো রথ উৎসব ঘিরে হুগলির মাহেশে নেমেছে পুণ্যার্থীদের ঢল। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবে ভিড় জমিয়েছেন দেশ-বিদেশের পর্যটকরাও।
সকাল থেকেই পুজো, মন্ত্রপাঠ এবং অন্যান্য আচার পালনের পর রথের রশিতে টান পড়তেই,নাচে-গানে, হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে রথ উৎসবে মেতে উঠেছেন পুণ্যার্থীরা। রথযাত্রা উপলক্ষে মাহেশে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মেলাও। শতাব্দী প্রাচীন এই রথযাত্রা উৎসবে প্রতিবছর ভিড় করেন অগণিত ভক্তরা। পুরীতে কয়েক বছর অন্তর জগন্নাথদেবের নবকলেবর হলেও, ৬২৮ বছর ধরে একই বিগ্রহে পূজিত হয়ে আসছেন মাহেশের প্রভু জগন্নাথদেব। ১২৫ টন ওজনের এই ঐতিহ্যবাহী লোহার রথের উচ্চতা প্রায় ৫০ ফুট। প্রথমদিকে মাহেশে ছিল কাঠের রথ। পরে তা লোহার রথে পরিণত হয়। এই লোহার রথের বয়স ১৩৮ বছর। বর্তমানে এই রথের দেখভাল করেন কলকাতার শ্যামবাজারের বসু পরিবার। প্রতিবছর সংস্কারের কাজও করা হয় এই পরিবারের পক্ষ থেকে। জানা গিয়েছে, প্রতিবছরই মাহেশের রথের সংস্কার করা হয়। চলতি বছরেও আড়াই লক্ষের বেশি কিছু টাকা খরচ করা হয়েছে সেই সংস্কারে। মাহেশের রথ উৎসব উপলক্ষ্যে নিরাপত্তাতেও জোর দিয়েছে পুলিশ। চন্দননগর কমিশনারেট সূত্রে খবর, চন্দননগর পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি নিজে মাহেশে উপস্থিত ছিল। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ-রাফ মিলিয়ে শ’পাঁচেক পুলিশ কর্মী। জিটি রোডে হবে যান নিয়ন্ত্রণ।
