
অপারেশন সিঁদুরে ১০০-রও বেশি জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বদল বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।
ওই সূত্রের খবর, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তাও বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিদের কাছে উপস্থাপন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যেরা। ওই বার্তায় বলা হয়েছে, কঠিন পরিস্থিতিতে এই সময় দেশের প্রতিটি নাগরিকের একজোট থাকা প্রয়োজন। মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ন’টি জায়গায় জঙ্গি পরিকাঠামো লক্ষ্য করে প্রিসিশন স্ট্রাইক করা হয়। এই ন’টি জায়গার মধ্যে চারটি পাকিস্তানে এবং পাঁচটি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। বহাওয়ালপুর, মুরিদকে এবং সিয়ালকোট, মূলত এই তিনটি এলাকার জঙ্গিঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে দেওয়াই ছিল সেনার মূল লক্ষ্য। ওই সব জায়গায় বসেই ভারতে সন্ত্রাসবাদী হানার ছক কষা হয়েছিল বলে দাবি ভারতের। তবে সামরিক অভিযানে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, এখনও তা জানায়নি ভারত। সরকারি সূত্রে খবর, সর্বদল বৈঠকে রাজনাথ বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন, শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়েছে। এই অভিযানের খুঁটিনাটি বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিদের ব্যাখ্যা করা হয় বলে সরকারি ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে হওয়া সর্বদল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী। সভাপতিত্ব করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ-সহ মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যেরা। কংগ্রেসের তরফে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
তৃণমূলের তরফে বৈঠকে যোগ দেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তা ছাড়া ডিএমকের তরফে উপস্থিত ছিলেন টিআর বালু, আপের তরফে সঞ্জয় সিং, উদ্ধবসেনার তরফে সঞ্জয় রাউত, এনসিপি-র তরফে সুপ্রিয়া সুলে।
