
চলতি বর্ষায় হিমাচলপ্রদেশে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১১৬ জনের। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তথ্য এমনই বলছে। মোট মৃতের মধ্যে ৬৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে বৃষ্টিজনিত বিপর্যয় যেমন- বন্যা, হড়পাবান, ধস, বজ্রপাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কারণে। রাস্তা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। এর মধ্যে অনেকগুলি ঘটনাই পিছল রাস্তার কারণে এবং ভারী বৃষ্টির সময় ধ্বংসাবশেষ ভেঙে পড়ার কারণে।
এই রাজ্য এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ৩৩ আকস্মিক বন্যা, ২২ বার মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং ১৯টি ভূমিধসের সাক্ষী হয়েছে, যা পরিকাঠামোগত বিপর্যয় ডেকে এনেছে এবং মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে। মান্ডি, কুলু, কাংড়া এবং লাহৌল-স্পিতির মতো জেলাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে বন্যা এবং রাস্তাঘাট বন্ধের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। মর্মান্তিক প্রাণহানির পাশাপাশি, রিপোর্টে জনসাধারণের পরিকাঠামো, ঘরবাড়ি, গবাদি পশু এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতির তালিকাও রয়েছে।
রাজ্যজুড়ে বর্ষাকালীন দুর্যোগের কারণে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা বেশি বলে অনুমান করা হচ্ছে। এদিকে, প্রবল বর্ষণের জেরে বিপর্যস্ত ওড়িশা। নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সে রাজ্যের প্রায় ৩০ টি গ্রাম। গ্রামবাসীদের মোবাইলে তোলা একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়া গ্রামের রাস্তাঘাট এবং মাঠঘাটের মধ্য দিয়ে সাঁতার কাটছে কুমির।








