
বাবার দাবি উপেক্ষা করে কার্যত জোর করে নার্সের দেহ কলকাতার মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত নিয়ে আসা নিয়ে হয়েছে বলে অভিযোগ। মেডিক্যাল কলেজে নয়, এইমস বা কমান্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করতে চেয়ে অনড় রয়েছেন মৃতার পরিবার।
কাজে যোগ দেওয়ার ৩ দিনের মধ্যে সিঙ্গুরে নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শ্রীরামপুর হাসপাতাল। ওই হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা থাকলেও পরে জানানো হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত হবে। কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন কোনও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার। অভিযোগ তাঁদের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করেই কার্যত জোর করেই কলকাতায় ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশি তদন্তে কোনও আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন বাবা। কলকাতায় দেহ নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিজেপি, বামেদের বিক্ষোভে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দেহ নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়। পরে বিশাল পুলিশবাহিনী, র্যাফ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার সিঙ্গুরের নার্সিংহোমে নার্সের মৃত্যু ঘিরে তুলকালাম বাধে। মেয়েকে খুনের অভিযোগে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান পরিবারের সদস্যরা। ৩ দিন আগে শিবম সেবাসদন নার্সিংহোমে নার্সের কাজে যোগ দিয়েছিলেন দীপালি জানা। সেখানেই বুধবার রাতে চারতলার ঘরে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
এদিকে নার্সের মৃত্যুর ঘটনায় নার্সিংহোমের মালিক এবং কাঁথি থেকে মৃত নার্সের এক বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



