
কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার শিকার হয়েছেন, অভিযোগ এনে নোট লিখে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছেন চন্দননগরের যুবতী। মাত্র ৪ মাস পরেই বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল বছর ২৫-র মানালি ঘোষের।
গঙ্গায় তরুণীর খোঁজে ডুবুরি নামানো হয়েছে। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার সকালে চিঠি লিখে নদীর পারে সেটাই মোবাইল চাপা দিয়ে গঙ্গায় ঝাপ দিয়েছেন চন্দননগরের বৌবাজার বটতলার বাসিন্দা মানালি ঘোষ। নদীর পারে মেলে তাঁর মোবাইল ও চিঠি। বছর তিনেক আগে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়েছে মানালির। ৩ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল। দুই পরিবারই বিয়ে নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বউবাজারের শীতলাতলার বাসিন্দা সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল। মানালি সেলস গার্ল-র কাজ করতেন। দিন তিনেক ধরে কর্মস্থলে কোনও সমস্যা হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের।
সেই দোকানে তিনি কাজ করতেন চিঠিতে সেই দোকানের মালিক সঞ্জয় এবং মমতা দাসকে দায়ী করে চিঠি লিখেছেন। পরে পুলিশ সঞ্জয় এবং মমতা দাসকে আটক করেছে পুলিশ।









