
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে মুর্শিদাবাদ থেকে অসম এসটিএফ ২ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। যারা বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদিনের সদস্য বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা জাল পাসপোর্ট চক্রের সঙ্গে তারা যুক্ত বলে খবর।
এর আগে বেঙ্গল এসটিএফের সঙ্গে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় যৌথ অভিযান চালায় অসম এসটিএফ। ধৃতদের কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও পেন ড্রাইভ উদ্ধার হয়েছে।খবর, হরিহরপাড়া থেকে মহম্মদ আবাস ও মিনারুল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ও একটি পেন ড্রাইভ উদ্ধার হয়েছে।তাদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে মোডাস অপারেন্ডি জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা।এদিকে বাংলাদেশে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে জামাত-উল মুজাহিদিন, আনসারুল্লা বাংলা টিম, হিজবুত তাহারির মতো মৌলবাদী শক্তিরা।ইতিমধ্যে ঢাকার ডেল শেতে ছাড়া পেয়েছেন বহু জেহাদি। আলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুদণ্ড মুকুব হয়েছে। এমনকী, অস্ত্রাগার লুটের মামলায় শাস্তি থেকেও রেহাই পেয়ে জামাত জঙ্গিরা।এমন পরিস্থিতিতে গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে রাজ্যগুলিতে,বছর কয়েক ধরেই বাংলা ও অসমে সক্রিয় জেএমবি।পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে ক্রমাগত মডিউল তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। যাতে প্রয়োজনমাফিক সেই মডিউলগুলিকে সক্রিয় করতে পারে। জামাতের মডিউলের খোঁজে ইতিমধ্যে কলকাতার বুকেও হানা দিয়েছে এনআইএ। গ্রেপ্তার হয়েছে একাধিক সন্দেহভাজন। এসটিএফ সূত্রের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে জামাতুল মুজাহিদিন এবং এবিটির একটি লিঙ্ক পাওয়া গিয়েছে। মুর্শিদাবাদে আশ্রয় নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের কে বা কারা সাহায্য করেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এর আগে জাল পাসপোর্ট চক্রের তদন্তে অসমের ডুবরি এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। তাদের জেরা করেই মুর্শিদাবাদের এই দুই অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে এসটিএফ। এদিকে, আবারো বাংলাদেশ থেকে ভারতে লুকিয়ে থাকার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালো রানাঘাট থানার পুলিশ।
বুধবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে নদীয়ার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রামনগর এলাকা থেকে দুই নাবালক সহ ৬ বাংলাদেশি নাগরিক ও তাদের ভারতে প্রবেশ করাতে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করার অভিযোগে ৪ পাচারকারীকে গ্রেফতার করলো হাসখালি থানার পুলিশ।








