
ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে টানা ৩৬ ঘণ্টা ধরে চলা অভিযানে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২১ জন মাওবাদীর।বৃহস্পতিবার সারেন্ডার জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের। শুক্রবার সেখানে আরও ৬ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে।
গোটা পাহাড় ঘিরে এখনও চলছে অভিযান।জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলার সারেন্ডার ঘন জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর আসে নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে। এরপরই অভিযানে নামে সিআরপিএফ ও ঝাড়খণ্ড পুলিশ। জঙ্গলের মধ্যে একটি পাহাড় ঘিরে ফেলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। নিরাপত্তাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে এবং পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে মরিয়া হয়ে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা।পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। বৃহস্পতিবারই দীর্ঘ গুলির লড়াইয়ের পর ১৫ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া যায়।বর্তমানে অনলের প্ল্যাটুনেই মাও বঙ্গ ব্রিগেড ঝাড়খন্ডে কাজ করতো। পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে সমীর সোরেন ওরফে সুরেন্দ্রনাথ সোরেনের।২০০৯-১০ সাল নাগাদ যুধিষ্ঠির মাহাতো ওরফে অর্জুন নামে একজন মাও সদস্যের হাত ধরে সমীর সিপিআই (মাওবাদী)-র সংগঠনে নাম লিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-দের বাংলার স্কোয়াডে কাজ করছিলেন।
তার বাড়ি দক্ষিণ বাঁকুড়ার বারিকূল থানার ইন্দকুড়িতে। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে আনমোল ওরফে সুশান্তের।ঝাড়খণ্ড সরকারের তরফে এর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা, ওড়িশা সরকারের তরফে ৬৫ লক্ষ টাকা। মৃতদের তালিকায় একাধিক মহিলা কমান্ডারও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।




