
আগামী ৩ জানুয়ারি বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। এদিন পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম অবস্থানে পৌঁছাবে, যার ফলে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় সূর্যকে সবচেয়ে বড় আকারে দেখা যাবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় পৃথিবীর এই বিশেষ অবস্থানকে অনুসূর বলা হয়। মস্কো প্ল্যানেটোরিয়াম থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যকার দূরত্ব হবে সর্বনিম্ন ,প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ ৯৯ হাজার ৫৮৬ কিলোমিটার।উল্লেখ্য,সাধারণত জুলাই মাসে পৃথিবী সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে, যেটি অপসূর নামে পরিচিত। জানুয়ারির এই বিশেষ দিনে সূর্যের ব্যাস জুলাই মাসের তুলনায় দৃশ্যত কিছুটা বড় মনে হবে।তবে খালি চোখে এই সূক্ষ্ম পার্থক্য ধরা পড়া সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হলেও পেশাদার আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় জানুয়ারি ও জুলাই মাসের সূর্যের আকারের তফাত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন,৩ জানুয়ারি সূর্যের কৌণিক ব্যাস হবে ৩২ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।তবে এই বিরল দৃশ্য উপভোগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
এদিকে জানুয়ারি মাস সৌর পর্যবেক্ষণের জন্য খুব একটা অনুকূল না হলেও শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে সূর্যের উপরিভাগের নতুন কোনো পরিবর্তন বা সৌর কলঙ্ক দেখা যেতে পারে। তাই মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই মহাজাগতিক মুহূর্তটি উপভোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
