
দিল্লির তুঘলকাবাদ এলাকার বহুতলে বিধ্বংসী আগুনে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তা কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা ছিল না। পুলিশের অনুমান, পরিকল্পনা করেই সেখানে আগুন লাগানো হয়েছিল। এই অপরাধের পেছনে রয়েছে এক নাবালিকা-সহ মোট চারজন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে এবং নাবালিকাকে হেফাজতে নিয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, শর্ট সার্কিট বা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণও নয়, বরং দুই ভাইয়ের চরম আর্থিক বিবাদ মেটাতে ঠান্ডা মাথায় লাগানো হয়েছিল এই আগুন।
১২ জুন মাঝরাতের পর দিল্লির ওই বহুতল আবাসিক ভবনে আচমকাই আগুন লেগে যায়। গভীর রাতে বাসিন্দারা যখন ঘুমাচ্ছিলেন, তখন নীচের তলায় পার্কিংয়ে থাকা একটি স্কুটারে প্রথম আগুন লাগানো হয়। পার্কিং লট থেকে সেই আগুন মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে ওপরের দিকে। চোখের পলকে পুরো পাঁচতলা ভবনটি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ এসে বহুতল থেকে আটজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পঙ্কজ, সুশীলা দেবী এবং সোনিয়া কুমারী নামের তিন জনের মৃত্যু হয়। বাকিরা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
