বর্ণবাদের শিকার ইংল্যান্ডের ৩

0
7

আসর যত এগিয়েছে ততই ইংল্যান্ড সমর্থকদের বিখ্যাত ইটস কামিং হোম স্লোগান জোরালো হয়েছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর প্রথম মেজর টুর্নামেন্টে ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছিল তারা। কিন্তু টাইব্রেকারে শেষ হাসি হেসেছে ইতালি। ইংলিশদের তিনটি পেনাল্টি মিস করেছেন মার্কাস র‍্যাশফোর্ড, জ্যাডন স্যানচো ও বুকায়ো সাকা।ম্যাচ শেষে সোশ্যাল মিডিয়াতে সমর্থকদের তীব্র রোষানলে পড়েছেন তিন জনই।

লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ গোলে সমতার পর টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইতালি।টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই নিয়মিতভাবে ম্যাচ শুরুর আগে হাঁটু গেড়ে বর্ণবাদের বিপক্ষে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন ইংলিশ খেলোয়াড়রা। অথচ ফাইনালে হারের পর সেই দলের খেলোয়াড়দেরই শিকার হতে হলো বর্ণবাদের। সোশ্যাল মিডিয়াতে র‍্যাশফোর্ড, স্যানচো ও সাকার দিকে ধেয়ে এসেছে বর্ণবাদী মন্তব্য।দা মেট্রোপলিটন পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে এবং ঘোষণা করেছে ,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্ণবাদ মেনে নেওয়া হবে না।এই ঘটনার সমালোচনা করেছেন ইংল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও।তিনি বলেছেন,এই ইংল্যান্ড দলের নায়কের মর্যাদা প্রাপ্য,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্ণবাদের শিকার হওয়া নয়।যারা এই কাজ করেছে,তাদের নিজেদের নিয়ে লজ্জিত হওয়া উচিত।ইউরোতে নিজেদের সব ম্যাচের শুরুতে হাঁটু গেড়ে বর্ণবাদের বিপক্ষে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইংলিশ খেলোয়াড়রা।আসর শুরুর আগে দুটি প্রীতি ম্যাচে হাঁটু গেড়ে বর্ণবাদের বিপক্ষে প্রতিবাদ জানানোর সময় ইংলিশ খেলোয়াড়দের আওয়াজ দেয় নিজের দেশের দর্শকরা। ইংল্যান্ড ফুটবল আসোসিয়েশন,এফএ,বর্ণবাদের এই ঘটনাকে ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে একহাত নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কর্তৃপক্ষের প্রতি। মে মাসে র‍্যাশফোর্ড জানিয়েছিলেন,ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ইউরোপা লিগ ফাইনালে হারের পর তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন।ইউরোর ফাইনালে হারের পর ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে বর্ণবাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফেসবুক জানিয়েছে, তারা সম্প্রতি তাদের ইনস্টাগ্রাম প্লাটফর্মে নিয়মকানুন কঠিন করেছে।যার মাধ্যমে বারবার বর্ণবাদ কিংবা ঘৃণামূলক বার্তা ইনবক্সে পাঠালেই সেই অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।