
ডুবুরি নামিয়েও শেষ রক্ষে হল না। লেদার কমপ্লেক্সে ম্যানহোল পরিষ্কার করতে নামা ৩ শ্রমিকেরই মৃত্যু হয়েছে। অক্সিজেন-মাস্ক পরে ভিতরে ডুবুরি নেমে একে একে তিন শ্রমিকেরই দেহ উদ্ধার করেন।
রবিবার সকালে লেদার কমপ্লেক্সে ম্যানহোল পরিষ্কার করতে নামে ফারজেম নামে কেএমডিএ-র এক ঠিকা শ্রমিক। দীর্ঘক্ষণ পরেও যগরজেম শেখ না ওঠায় এক এক করে হাসি শেখ এবং সুমন সর্দার ১০ ফুট গভীর ম্যানহোলে নামেন। কিন্তু তাঁরাও না ওঠায় খবর দেওয়া হয় লেদার কমপ্লেক্স থানায়। এরপরেই পুলিশ, দমকল এবং বিপযয় মোকাবিলা কর্মীরা উদ্ধারকাজে নামে। পরে নামানো হয় ডুবুরিকে। ঘটনার ৪ ঘণ্টার পর তিনজনের দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়েই সেখানে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞার পরেও কেন শ্রমিক দিয়ে ম্যানহোল পরিষ্কার করানো হচ্ছিল, সেই প্রশ্নে মেয়র বলেছেন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। থানা এবং কলকাতা পুরসভা এব্যাপারে তদন্ত করবে। যার গাফিলতি রয়েছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। ২০১৩ থেকে দেশে আইন করে নিষিদ্ধ হলেও মানা হচ্ছিল না।
এরপর গত মাসের ২৯ তারিখ সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা সহ দেশের ৬ শহরে ম্যানহোলে শ্রমিক নামিয়ে পরিষ্কারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ৪ দিনের মধ্যেই লেদার কমপ্লেক্সে অঘটন ঘটেছে।
