
কার্তুজকাণ্ডে বসিরহাটের বাসিন্দা ফারুক মল্লিক নামে আরেক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ডবল ব্যারেল বন্দুক। জীবনতলায় ১১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের ঘটনায় এখন ৫ জনকে ধরেছে বেঙ্গল এসটিএফ।
জানা গিয়েছে বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হাজি রশিদ মোল্লার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কিনেছিল ফারুক। ডবল ব্যারেল বন্দুক কি বিবাদী বাগের দোকানের নাকি আরও একাধিক অস্ত্র বিপণির যোগ রয়েছে। খতিয়ে দেখছে বেঙ্গল এসটিএফ। অস্ত্রভাণ্ডারের সঙ্গে ফারুকের কাছে যে চারটি কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে সেগুলো ফ্যাক্টরি মেড। যা বিবাদী বাগের বিপণীর নয় বলেই জানা গিয়েছে। কলকাতায় ৮ থেকে ১টি অস্ত্র বিপণি রয়েছে। এই কার্তুজ কোথা থেকে কেনা হয়েছে, নাকি সরাসরি ফ্যাক্টরি থেকে পাচার করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার ঈশ্বরীপুর এলাকায় অভিযান চালায় বেঙ্গল এসটিএফ। হাজি রশিদ মোল্লার বাড়িতে হানা দিয়ে ১৯০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। হাজি রশিদ মোল্লা ছাড়াও হাসনাবাদের বাসিন্দা আশিক ইকবাল গাজি, আব্দুল সেলিম গাজি এবং শান্তিপুরের জয়ন্ত দত্তকে গ্রেফতার করে।
এই জয়ন্ত দত্তই বিবাদীবাগের লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র বিপণিতে কাজ করেন। এরপরেই শনিবার বিকেলে বিবাদীবাগের অস্ত্রবিপণীতে হানা দেয় বেঙ্গল এসটিএফের গোয়েন্দারা। বাজেয়াপ্ত করা হয় রেজিস্টার। পরে সিল করে দেওয়া হয় দোকান।







