
সন্ন্যাসের পথে পা বাড়িয়ে কিন্নর আখড়ায় মহামণ্ডলেশ্বর পদ পেয়েছিলেন একদা বলিউড তারকা মমতা কুলকার্নি। তবে অল্প দিনেই সে পদ থেকে বহিষ্কৃত হলেন তিনি।
জানা গিয়েছে, কিন্নড় আখড়ার সংস্থাপক হিসেবে নিজেকে দাবি করা ঋষি অজয় দাস মমতাকে মহামণ্ডলেশ্বরের পদ থেকে বহিষ্কার করেছেন। কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে, প্রথা অনুযায়ী তিনি নিজের মস্তক মুণ্ডন করাতে রাজি হননি।উল্লেখ্য সংসারের মোহ-মায়া ত্যাগ করে এবার মহাকুম্ভে সন্ন্যাস নিয়েছিলেন সলমন-শাহরুখের অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি।এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো সাড়া পড়ে যায় গোটা দেশে। ২৪ জানুয়ারি কিন্নর আখড়ায় সেখানকার মহামন্ডলেশ্বর আচার্য লক্ষ্মী নারায়ণের সঙ্গে দেখা করেন মমতা কুলকার্নি।তাঁর হাত ধরেই শুরু করেন জীবনের আধ্যাত্মিক ইনিংস।সন্ন্যাস নেওয়ার ফলে বলিউডের একসময়কার হিট নায়িকা মমতা কুলকার্নির পরিচয় বদলে নতুন নামকরণ করা হয় মমতানন্দ গিরি।সোশাল মিডিয়াতে তাঁর বহু ছবি ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, পরনে গেরুয়া বসনে,গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, কপালে গেরুয়া তিলক পরে সন্ন্যাসিনীর বেশে মমতা।যদিও সন্ন্যাস গ্রহণের পরই তাঁর মহামণ্ডলেশ্বর উপাধি পাওয়া নিয়ে বিতর্কও মাথাচাড়া দেয়।এবার জানা যাচ্ছে তাঁকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী,কেউ সন্ন্যাস গ্রহণ করলে সন্ন্যাসের প্রথম শর্ত হল নিজের পিণ্ডদান।মহাকুম্ভে গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে সে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন তিনি।বাকি নিয়মও যথাযথভাবে পালন করলেও সমস্যা তৈরি হয় মস্তক মুণ্ডনের সময়। জানা যায়, মমতা নিজের মস্তক মুণ্ডন করতে রাজি হননি। যার জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ। পাশাপাশি মমতাকে এই পদে বসানোর পর থেকেই সংঘাত শুরু হয়েছে কিন্নড় আখড়ায়।
অজয় দাস জানিয়েছেন,আখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর লক্ষ্মী নারায়ণ ত্রিপাঠিকেও সরানো হয়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর দাবি, ২০১৭ সালেই অজয় দাসকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
