টক দইয়ে বাজিমাত 

0
248
Bajimat with sour curd
Bajimat with sour curd

বোশেখে তাপমাত্রার পারদ বেড়ে চলেছে। প্রচণ্ড গরমে হিমশিম খেতে হচ্ছে সবাইকে।

মাত্রারিক্ত আর্দ্রতায় সারা দিন ঘেমেনেয়ে একাকার। পাখা চালিয়েও শান্তি মিলছে না। আর রোদ যেন পুড়িয়ে দিচ্ছে কোমল ত্বক। এমন দিনে ত্বকের বন্ধু হলো টক দই।এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও আমিষ। যা শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।পাশাপাশি রূপচর্চায়ও রয়েছে টক দইয়ের কদর। রূপচর্চায় টকদই এবং বেসন ভালোভাবে ত্বকে মাসাজ করে নিন, ১০ মিনিট রাখুন, এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে যেমন দেবে প্রশান্তি তেমনি ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনবে।অন্যদিকে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে টক দই এবং মসুর ডাল বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি মুখ, হাত এবং পায়ে লাগান। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকটি মাসব্যাপী ব্যবহারে ফলাফল দেখুন।পাশাপাশি,ত্বকের মরা চামড়া দূর করে টক দই মুখকে করে তোলে উজ্জ্বল। দইয়ের সঙ্গে গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে ফেস স্ক্রাব তৈরি করে নিন। এবার মিশ্রণটি ভালোভাবে ত্বকে ঘষতে থাকুন। ৫ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে উঠিয়ে ফেলুন ফেস স্ক্রাব। দেখবেন মুখ একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে।ওদিকে আবার তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকে ১২ মাস। টক দই সরাসরি ব্রণের ওপরে লাগাতে পারেন বা মধুর সঙ্গে তা মিশ্রিত করে ত্বকে ভালোভাবে লাগিয়ে নিয়ে ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে পারেন। টানা ব্যবহারে দেখবেন ব্রণও একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে।সেজন্যে স্টবেরি ২টি ও ৪ চামচ টক দই একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মুখে মাস্ক হিসেবে লাগাতে পারেন। মাস্কটি ব্যবহারে ত্বকের অনেক সমস্যার সমাধান পাবেন। এটি ত্বকের কোলাজেনে সমতা আনে, ব্রণ এবং বলিরেখার মতো দাগ কমায়।ত্বক ফর্সা করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন টক দইয়ের মাস্ক। টক দই, কাঁচা হলুদ বাটা এবং বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্কটি তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগান। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন। মাসব্যাপী ব্যবহারে জাদুকরী ফলাফল দেখুন।তবে কেবল ত্বকের প্রয়োজনে নয়, চুলের জন্যও টক দই ব্যবহার করতে পারেন। দই, নারকেল তেল এবং অ্যালোভেরা জেল  মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।প্যাকটি চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল হয়ে উঠবে নরম ও কোমল।