
রাজকোটের গেমিং জোন চালানোর প্রযোজনীয় লাইসেন্স ছিল না কর্তৃপক্ষের কাছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।
গেমিং জোনে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে ৯ জন শিশুও। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে টিআরপি গেম জ়োনের মালিক যুবরাজ সিংহ সোলাঙ্কি, ম্যানেজার নিতিন জৈন-সহ তিন জনকে। জানা গিয়েছে, পুরসভা থেকে ফায়ার ক্লিয়ারেন্সের এনওসি-ও ছিল না তাঁদের কাছে। গেমিং জোন থেকে বাইরে যাওয়ার একটিই মাত্র পথ ছিল। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে পুরো আগুনের গ্রাসে চলে গিয়েছিল রাজকোটের গেমিং জ়োনের ভিতরে থাকা বহুতলটি। ফলে অনেকেই বেরোনোর সুযোগ পাননি। কেউ কেউ দোতলা থেকে ঝাঁপ মেরে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। দমকল সূত্রে খবর, গেমিং জ়োনের অস্থায়ী কাঠামোগুলি ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পরেছে। রাজকোটের মেয়র নয়না পেধাদিয়া বলেছেন, কী ভাবে এত বড় একটা গেমিং জ়োন এনওসি ছাড়া চলছিল, তা তদন্ত করে দেখা হবে। রাজকোটে গেমিং জোনে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে গুজরাট হাইকোর্টে। আদালত মামলা গ্রহণ করে গোটা ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মানুষের তৈরি বিপর্যয় বলে অভিহীত করেছে। প্রাথমিকভাবে রাজ্য সরকার এবং পুর নিগমের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। ঠিক কোন আইনে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গেমিং জোন চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, দ্রুত তা জানাতে বলা হয়েছে। প্রশাসনকে ভৎসনা করে বেঞ্চের মন্তব্য, সম্ভবত গুজরাট কম্প্রিহেনসিভ জেনারেল ডেভেলপমেন্ট কন্ট্রোল রেগুলেশনস-র ফাঁক-ফোকরের সুবিধা নিয়ে অবৈধভাবে গেমিং জোনটি চালানো হচ্ছিল। সোমবার মামলার শুনানি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
