
৭ জনের মধ্যে একজন নাবালিকা ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অনলাইনে অ্যাপ ব্যবহার করেই গলার স্বর বদলে অভিযুক্ত কথা বলত মহিলার কণ্ঠে। তরুণীদের স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে অভিযুক্তরা ডাকত জঙ্গলে। এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো মামলা দায়ের করা হয়েছে । তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত ব্রজেশ আগে একটি মিলে কাজ করত। মিলে কাজ করলেও প্রযুক্তি সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত। সেই কারণেই ভয়ে ফিশিং অ্যাপ ব্যবহার করে আদিবাসী কলেজের পড়ুয়াদের প্রতারিত করত সে। প্রশাসনের তরফে অভিযুক্তের বাড়িও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে-গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরই সাইবার সেলের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব নয সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
